যে জীবন মরীচিকা (পেপারব্যাক)


WISHLIST


Overall Ratings (3)

Salim
04/04/2020

যে জীবন মরীচিকা,,,,, "জীবনের সময়গুলাে মেঘের মতাে বয়ে যায় । এ জীবনের যে সময়টুকু আল্লাহর জন্য , যতটুকু সময় ব্যয় হবে আল্লাহর কাজে — সেটাই প্রকৃত জীবন , সেটাই মানুষের প্রকৃত আয়ু । অন্য সময়গুলাে জীবনের আওতাতে পরিগণিত হয় না । যদি কোনাে মানুষের জীবন হয় পশুর জীবনের মতাে , তবে তা মানুষের জীবন নয় । যদি কোনাে মানুষের সময় কাটে উদাসীনতায় , ভুল ও মিথ্যা আশার মাঝে , তবে তা জীবন বলে স্বীকৃতি পায় না । এমন মানুষের সময়টা যখন ঘুম ও কর্মহীনতায় কাটে , সেটাই তার জন্য ভালাে হয় । এমন জীবনের চেয়ে মৃত্যুই শ্রেয় । এই দুনিয়া জীবন হল পরকালের পাথেয় যোগাড় করার একটা মাধ্যম মাত্র। তাকিয়ে দেখুন ঐ কবরবাসীর দিকে, যারা প্রতিনিয়ত আহাজারি করে বলছে - হে আমাদের রব! আমাদেরকে আরেকবার সুযোগ দিন। তারপরেও কেন আপনার হুঁশ ফিরে না"? দেহ থেকে প্রাণটা বেরিয়ে গেলেই তো দুনিয়াবাসীর নিকটে আপনার প্রয়োজন শেষ। আপনার লাশটা তখন আপনারই ক্রয়কৃত খাটে রাখতে দিবেনা আপনার প্রিয়মুখগুলি। তারপরেও কিসের মৌহে এই তুচ্ছ দুনিয়াকে কামড়ে ধরে রেখেছেন!? প্রিয়নবী মুহাম্মদূর রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতেন, "আদম সন্তানের বয়স বাড়ে আর তার সঙ্গে দু’টি জিনিসও বাড়ে : এক, ধন-মালের প্রতি ভালবাসা এবং দুই, দীর্ঘ বয়সের আশা!" - ‘যখন দেখি, কোনো লোক দুনিয়াপ্রেমী লোকদের সাথেই বেশি মেলামেশা করছে, তখন বুঝতে পারি, এই দুনিয়ার জীবনকেই সে ভালোবাসে।’ একটা সময় দুনিয়া আর আখিরাতের জীবনের মাঝে সমন্বয় রীতিমতো অসম্ভব মনে হতো। চোখের সামনেই দেখতাম কেউ দুনিয়ার জীবনকেই একমাত্র আবাসস্থল ভেবে নিয়েছে, কেউবা আখিরাতের চিন্তায় দুনিয়ার সবকিছুকে ত্যাগ করেছে। যে জীবন মরীচিকা বইটি আমাকে শেখালো, কোনো রকম প্রান্তিক অবস্থানে না গিয়েও এই দুই জীবনের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। বইটির পাতায় পাতায় যেমন চিরস্থায়ী জীবনের পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনই দুনিয়ার জীবনকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় তার দিকনির্দেশনাও রয়েছে। এখানে অনাড়ম্বর জীবনযাপনের প্রেরণা আছে; কিন্তু সব ছেড়ে বৈরাগ্যবরণের আহ্বান নেই। প্রিয় মুসলিম, যে ব্যক্তি মৃত্যুকে বেশি বেশি স্মরণ তার কাছে দুনিয়ার জীবনকে ছোট ও তুচ্ছ মনে হয় ফলে তার চোখে সামনে থেকে দুনিয়ার রঙিন পর্দা সরে যায় দুনিয়ার এই জীবন অতি সংক্ষিপ্ত যত মৃল্যবান ধন সম্পদের পিছনে মৃত্যু অপেক্ষা করছে মৃত্যুর আঘাতে সবকিছু শেষ হয়ে যাবে এবং সকল আনন্দ উল্লাসের ইতি ঘটবে,....... তাই বইটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন আপ প্রকৃত জীবন কোনটা চিরস্থায়ী জীবন কোনটা।।।। ।


Md.Al-Imran Hemel
01/04/2020

যে জীবন মরীচিকা’কালের ঘূর্ণাবর্তে সবকিছুর পালাবদল ঘটছে। পরিবর্তন আসছে জীবনের রূপ ও রঙে। সময়ের। পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন চিন্তা এসে গ্রাস করছে। পুরােনো চিন্তার জগৎ। এভাবেই চলছে। গ্রহণ-বর্জনের নিরন্তর চক্র। কালের এই চক্রে সবকিছুতে পরিবর্তনের ছোঁয়া। লাগলেও একমাত্র ইসলাম-ই চৌদ্দশত বছর ধরে। চিন্তা-চেতনা ও জ্ঞান বিকাশের অরিকত ও পবিপর্ণ ধারায় রয়েছে বিরাজমান। মানবজাতির জন্য নির্দেশিকা হিসেবে নাযিল হওয়া ইসলামের বাতাসমূহের রয়েছে সমসাময়িক ও আগামী জীবনের। বইটি অসাধারণএকটা বই খুবই গুরুত্বপূর্ণআলোচনা সহজভাবেতুলে ধরা হয়েছে ।


Sohag
31/03/2020

যে জীবন মরীচিকা ঠিক এমনই একটি বই।এই বইয়ে দুনিয়া ভুলে কেবল আখিরাতকে প্রধান্য দেওয়া হয়নি। আবার আখিরাতকে ভুলে তুলে আনা হয়নি ক্ষয়ে যাওয়া দুনিয়াকে । উভয়ের মধ্যে সমন্বয় করে একজন মুমিনের জীবন কী পদ্ধইতিতে চলতে পারে , সেই কথাগুলােই খুব যত্ন আর ভালােবাসার সুরে বলে গেছেন অারবের প্রখ্যাত দাঈ শাইখ আব্দুল মালিক আল – কাসিম হাফিযাহুল্লাহ । আমাদের সােনালী যুগের মানুষগুলাের জীবন থেকে টুকরাে টুকরাে ঘটনা , তাদের মুখনিঃসৃত বাণী , তাদের জীবনপদ্ধতিকে মানদণ্ড ধরে লেখক এমনভাবে বইটিকে সাজিয়েছেন — যা যেকোনাে পাঠককে খুব সহজ আর সাবলীলভাবে বােঝাতে সক্ষম হবে , তার জীবন চলার পথে কেমন হওয়া উচিত। বইটি দুনিয়ার জীবন সম্পর্কে চোখ খুলে দেওয়ার মতো একটি বই।দুনিয়া যে চলার একটি পথ ব্যাতীত কিছুই না।এ কথার সত্যতা অনুধাবন করা যায় দুনিয়া সম্পর্কে সালাফদের মতামতের মাধ্যমে। বইটি আপনাকে শেখাবে যে, কোনোরকম প্রান্তিক অবস্থানে না গিয়েও এই দুই জীবনের মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব। বইটির পাতায় পাতায় যেমন চিরস্থায়ী জীবনের পরিনতির কথা স্মরন করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনই দুনিয়ার জীবনকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় – তার দিক – নির্দেশনাও রয়েছে। এখানে অনাড়ম্বর জীবনজাপনের প্রেরণা আছে।কিন্তু সব ছেড়ে বৈরাগ্য বরনের আহ্বান নেই। সব মিলিয়ে এই বইটি বর্তমান সময়ের দ্বিধান্বিত মুসলিম ভাই- বোনদেরকে পথ দেখাবে, জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবতে শেখাবে।


SIMILAR BOOKS

PAYMENT OPTIONS

Copyrights © 2018-2022 BoiBazar.com